মানুষ তার কাম বাসনা আনন্দে সানন্দে মেটাতে পারে। আপোষে। বন্ধুত্বে বা দেহ কিনে। কখনও কখনও জোর করে। সেক্ষেত্রে নারী সঙ্গির সম্মতি ছাড়াও পুরুষ (কিছুটা কম হলেও) কাম বাসনা চরিতার্থ করতে পারে ও তৃপ্ত হতে পারে।
নারী কখনওই একজন পুরুষ সঙ্গিকে জোর করে পেতে পারে না। বায়োলজিক্যালি পুরুষের যৌনতা বা এর শারীরিক প্রস্তুতির জন্য মৌন সম্মতি ও ইচ্ছে অনস্বীকার্য। নারী জোর করে পুরুষকে কামভোগে আনতে পারে না। নারী একজন পুরুষকে ধর্ষণও করতে পারে না। অর্থাৎ কোনভাবেই পুরুষের পুর্ণ সম্মতি ও অপরাপর আগ্রহ ছাড়া একজন নারী কাম বাসনা চরিতার্থ করতে পারে না। আর এখানেই পুরুষ হতে একজন নারী পিছিয়ে।
তাই একজন নারী কামিনীকে পুরুষের সম্ভোগ পেতে তার সম্মতি আদায় করতে হয়। তা প্রেম, ভালোবাসা, টাকা, ভয়, রাগ, লোভ, হুমকি যেকোন কিছুর বিনিময়ে। আর নারী যখন তা দিতে অনিচ্ছা প্রকাশ করে তখনই সে চুড়ান্ত কাম সুখ রাগমোচন থেকে বঞ্চিত থাকে। যা তার দৈনন্দিন কাজকর্ম মেজাজ সৌন্দর্য মুড সংলাপ ব্যবহার ইত্যাদির উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। কখনও কখনও সুপুরুষ এর সাথে ইন্টারেকশনে দুর্বলতা প্রকাশ করে।
প্রতিদিন এভাবে চলতে চলতে নারী তার সাবলীল ও প্রাকৃতিক চরিত্র হারায় এবং ধীরে ধীরে অপ্রাকৃতিক ও কখনও কখনও অমানবিক হয়ে ওঠে। আর শারীরিক সমস্যা গুলো না হয় এই গল্পে অপ্রকাশিতই থাকুক।
রেজা হক/ আরিচা/ ০২-০২-২০২৬ খ্রি:।










পাঠক মন্তব্য ও পর্যালোচনা০টি
আপনার মূল্যবান মতামত বা রিভিউ দিন
অতিথি হিসেবে মন্তব্য