লেখক পরিচিতি ও সাহিত্য জীবনবৃত্তান্ত
সৌরভ আল হাসানতিনি হরিদেবপুর, রাধাকৃষ্ণপুর, ধাপ, আল মদিনা,শহীদ সামাদ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়,বাংলাদেশ বোর্ড অফ ইউনানী এন্ড আয়ুর্বেদিক সিস্টেমস অফ মেডিসিন প্রভুতি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে অ্যাপ্লাইড কেমিস্ট্রি এন্ড কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং,এলএলবি ,এম.এড, ডিপ্লোমা ইন ইউনানী মেডিসিন এন্ড সার্জারি ইত্যাদি বিষয়ে লেখাপড়া করেছেন। তিনি ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট(স্কিটি)ঢাকা থেকে হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট, ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম,এক্সপোর্ট মার্কেটিং, অফিস ম্যানেজমেন্ট, উদ্যোক্তা উন্নয়ন বিষয়ে এবং সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে হারবাল কসমেটিক্স ও মেডিসিন, বেসিক টিভি রিপোর্টিং,পত্রপত্রিকা সম্পাদনা ইত্যাদি বিষয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।
তিনি বিভিন্ন সাহিত্য সংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠন,পেশাজীবীজী পরিষদ,স্কাউটিং এবং মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের কেন্দ্রীয় কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।
তিনি প্রচার বিমুখ হলেও তার লেখা অনেককে প্রভাবিত করে।লেখালেখির সূত্রেই অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে তার সখ্যতা।
তার লেখায় বিপ্লব, বিদ্রোহ,সাম্য, মানবতা,ধর্মীয় চেতনা,অসাম্প্রদায়িকতা,সুশাসন,সামাজিক ও বৈশ্বিক ন্যায়বিচারের তীব্র আহ্বান রয়েছে।
তিনি বিপ্লব,বিদ্রোহ,মানবতার কবি হলেও তার রচনা শুধু বিপ্লব ,বিদ্রোহ নয়, প্রেম, প্রকৃতি,আধ্যাত্মিক ভাবনার দিক থেকেও সমৃদ্ধ। তার অনেক সাহিত্যকর্ম সময়ের সীমানা ছাড়িয়ে সব যুগেই প্রাসঙ্গিক।তাঁর অনেক লেখায় দার্শনিক সুলভ কবি মনের পরিচয় পাওয়া যায়।বাংলাদেশ, ভারত ও প্রবাসী স্বনামধন্য কবি সাহিত্যিকদের সাথে তাঁর বেশ কিছু যৌথ বই আছে।
বিভিন্ন সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন থেকে তিনি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পুরুষ্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন।
ভদ্র,নম্র,শান্ত,শিষ্ট কবি এস এম হাসান সকলের দোয়া প্রার্থী।
আইডিয়াপত্র ও প্রবন্ধসমূহ
৩টি প্রবন্ধঅনুপস্থিতির ঘাটে
কবিতাটি মূলত এক অনুপস্থিত মানুষের প্রতি গভীর আকর্ষণ ও অমোঘ অপেক্ষার কথা বলে। কবি জানেন, ফিরে যাওয়ার পথ আছে, তবু হৃদয় বারবার প্রিয় মানুষের কাছেই ফিরে যায়। ভুল ঠিকানা, নিঃসঙ্গ রাত আর অপূর্ণতার ভেতরেও সেই মানুষটির সন্ধান থামে না। শেষ পর্যন্ত প্রিয়জনকে না পেয়েও কবি তার অনুপস্থিতির পাশেই দাঁড়িয়ে থাকেন, ভালোবাসার এক নীরব পরিণতি হয়ে।
নিঃসঙ্গতার প্রহর
কবিতাটিতে গভীর নিঃসঙ্গতা ও শূন্যতার চিত্র ফুটে উঠেছে। প্রকৃতির চলমান সৌন্দর্যের মাঝেও কবি অনুভব করেন মানুষের অনুপস্থিতি ও একাকিত্ব। হারানো কারও ফিরে আসার ক্ষীণ প্রত্যাশা থাকলেও শেষ পর্যন্ত মানুষ নিজের নিঃসঙ্গতার কাছেই ফিরে আসে।
আমার শোক একটি সৌরজগৎ
এটি মূলত শোক, একাকিত্ব ও অন্তর্দহনকে মহাকাশ, ভূতত্ত্ব ও বিজ্ঞানের রূপকে প্রকাশ করেছে—যেখানে মানুষের ভেতরের ভাঙনকে কৃষ্ণগহ্বর, ভূমিকম্প ও মহাজাগতিক ঝড়ের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। শেষ পর্যন্ত প্রশ্নটি দাঁড়ায়: এই অসীম শূন্যতার মধ্যে আমি কি নিজেই এক ব্যর্থ মহাজাগতিক পরীক্ষা?



